গ্যাস সিলিন্ডারের সংকটের জেরে সমস্যায় পড়েছেন সুন্দরবনের রায়দিঘির সামুদ্রিক মৎস্যজীবীরা। সিলিন্ডার না পাওয়ায় অনেক ট্রলারই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারছে না। ফলে বড়সড় আর্থিক চাপে পড়েছেন ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবীরা। সাধারণত ট্রলারগুলিতে রান্নার জন্য কাঠ ব্যবহার করা হয় না। গ্যাস সিলিন্ডারেই রান্না করেন মৎস্যজীবীরা।
একটি ট্রলারে প্রায় ১৫ জনের বেশি মৎস্যজীবী থাকেন এবং সমুদ্রে এক সপ্তাহ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত থাকতে হয় তাদের। এই দীর্ঘ সময়ে রান্না ও খাবারের জন্য গ্যাস সিলিন্ডার অত্যন্ত জরুরি। সিলিন্ডার না মেলায় অনেক জায়গায় মৎস্যজীবীদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে হচ্ছে এবং প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা করে মজুরি দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিকরা।
এ বিষয়ে মৎস্যজীবী বাপ্পা সরদার জানান, তারা বিভিন্ন জায়গায় গ্যাস সিলিন্ডারের খোঁজ করছেন, কিন্তু কোথাও সিলিন্ডার মিলছে না। এদিকে ব্যান পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগে এখনও দু’টি ট্রিপের মাছ ধরা বাকি রয়েছে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস মাছ ধরা চলবে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রে যাওয়ার প্রস্তুতির মাঝেই নতুন এই সিলিন্ডার সংকট মৎস্যজীবীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
