নবরাত্রি এমন একটি সময় যখন মানুষ সঙ্গীত, নৃত্য এবং ঐতিহ্যবাহী উৎসবের মাধ্যমে একত্রিত হয়, আর গর্বা সমস্ত শহর ও পাড়া-মহল্লার মানুষদের একত্রিত করে। এই নবরাত্রিতে, কোকা-কোলা ইন্ডিয়া তাদের বিবিধ পানীয়ের পোর্টফোলিওকে প্যান্ডেল, গর্বার স্থান, স্থানীয় বাজার এবং জনপ্রিয় জমায়েতের স্থানগুলোতে ছড়িয়ে দিয়ে পুরো গুজরাটের ভোক্তাদের আরও কাছে নিয়ে আসছে।
উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো—বিশ্বের বৃহত্তম গর্বা উৎসব হিসেবে স্বীকৃত ইউনাইটেড গর্বা মহোৎসব এবং লক্ষ্মী বিলাস প্যালেস (এলভিপি) হেরিটেজ গর্বা-র মতো বিশিষ্ট জায়গায় কোকা-কোলার উপস্থিতি।
উৎসবের উদ্দীপনা আরও বাড়িয়ে তুলতে, আহমেদাবাদের অন্যতম জনপ্রিয় গর্বা প্যান্ডেল আদিত্য গড়ভী-র রংমোরলা-র সাথে বেভারেজ পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে কোকা-কোলা ইন্ডিয়া। কোক স্টুডিওর সাড়াজাগানো গান ‘খালাসি’-র জন্য পরিচিত আদিত্য গড়ভী উৎসবের এই মৌসুমে এক অনন্য সুরের সংযোগ নিয়ে এসেছেন। এই প্যান্ডেলে থাকবে পানীয়ের স্টল, একটি মাজা মিক্সোলজি স্টেশন এবং একটি বিশেষ মাজা সেলফি জোন, যা গান, রিফ্রেশমেন্ট এবং উৎসবের অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলোকে একসঙ্গে মিলিত করবে।
উৎসব যত জমজমাট হয়ে উঠবে, সাধারণ মানুষের কাছে ঠাণ্ডা পানীয় সহজে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কোকা-কোলা জনপ্রিয় উৎসবের ক্ষেত্রগুলোতে নিয়ে আসবে তাদের ‘কোক অন হুইলস’ অভিজ্ঞতা। বিশেষ সেলফি পয়েন্টগুলো বন্ধু ও পরিবারকে তাদের উৎসবের সাজসজ্জা এবং স্মরণীয় মুহূর্তগুলো বন্দি করার সুযোগ করে দেবে, যা নবরাত্রির আনন্দের অংশ হওয়ার আরও একটি উপায় তৈরি করবে।
প্রধান প্রধান উৎসবের ক্ষেত্রগুলোতে উষ্ণ ও আমন্ত্রক উপস্থিতির মাধ্যমে মাজা ভোক্তাদের উৎসবে স্বাগত জানাবে। আতিথেয়তার এই ভাবনাকে সামনে রেখে, ব্র্যান্ডটি তাদের মিক্সোলজি অ্যাক্ট উপস্থাপন করবে, যেখানে মাজা দিয়ে তৈরি বিশেষ মকটেল ভোক্তাদের স্বাদ নেওয়ার এবং উপভোগ করার সুযোগ দেওয়া হবে। এই অভিজ্ঞতা উৎসবে এক সতেজতার পরশ যোগ করবে, যা দর্শনার্থীদের উদযাপনের মাঝে একটু বিরতি নিয়ে নতুন কিছু আস্বাদন করার সুযোগ করে দেবে।
উৎসবের খাবারের সাথে যেসব মশলাদার স্বাদের মেলবন্ধন থাকে, সেটিকে উদ্যাপন করতে স্প্রাইট নবরাত্রিতে নিয়ে এসেছে তাদের ‘স্প্রাইট এক্স স্পাইসি’ অভিজ্ঞতা। আকর্ষণীয় অন-গ্রাউন্ড কর্মসূচির মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি স্থানীয় খাবারের কেন্দ্রগুলোতে উদ্দীপনা বাড়াবে এবং দর্শনার্থীরা যখন উৎসব উপভোগ করবেন, তখন মশলাদার খাবারের সাথে রিফ্রেশিং মুহূর্তগুলোকে একসাথে মেলাবে।
মশলাদার খাবার, প্রিয় স্ন্যাক্স এবং সতেজ পানীয়ের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে থামস আপ খাওয়াদাওয়ার দোকানগুলোতে নিয়ে আসবে তাদের থামস আপ এক্স স্ন্যাকিং উদ্যোগ। এ ছাড়া, ব্র্যান্ডটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ গেম এবং পুরস্কার জেতার নানা সুযোগসহ অন-গ্রাউন্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোক্তাদের যুক্ত করবে, যা উৎসবের আনন্দে আরও উত্তেজনার মাত্রা যোগ করবে।
মিনিট মেইড পালপি অরেঞ্জ এই উৎসবের দিনগুলোতে বিশেষ অন-গ্রাউন্ড কর্মসূচির মাধ্যমে ভোক্তাদের সাথে যুক্ত হবে এবং জনপ্রিয় জমায়েতের স্থানগুলোতে তাদের সতেজ ফ্রুট বেভারেজটি মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে আসবে। এই উদ্যোগটি উৎসবের ভিড়ে ভোক্তাদের একটু সতেজ বিরতি নেওয়ার সুযোগ করে দেবে।
কিনলে উৎসবের প্রধান জায়গাগুলোতে স্টলের মাধ্যমে সহজ হাইড্রেশন ব্যবস্থা প্রদান করবে, যা ভোক্তাদের সারারাত ধরে উৎসবে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সতেজ থাকতে সাহায্য করবে।
এই উদ্যোগটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে কোকা-কোলা ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথওয়েস্ট এশিয়ার ইন্টিগ্রেটেড অপারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সন্দীপ বাজোরিয়া বলেন, “উৎসবের মরশুম পরিবার এবং সমাজকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে একসূত্রে বাঁধে। এই উদযাপনের মুহূর্তগুলো আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যাতে আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে মানুষ উৎসব উপভোগ করার সময় হাইড্রেটেড এবং সতেজ থাকতে পারেন। কোকা-কোলা ইন্ডিয়াতে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো—আমাদের বৈচিত্র্যময় বেভারেজ পোর্টফোলিওর সাথে স্থানীয় অন্তর্দৃষ্টি এবং আমাদের শক্তিশালী বিতরণ, খুচরা ও বোতলজাতকরণ ব্যবস্থার সংযোগ ঘটিয়ে এই সম্পর্কগুলোকে আরও গভীর করে তোলা।”
নবরাত্রির বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে কোকা-কোলা ইন্ডিয়ার লক্ষ্য হলো উৎসবকে প্রাণবন্ত করে তোলা প্রতিটি মুহূর্তের অংশ হওয়া, তা গর্বা রাতের উন্মাদনা এবং উৎসবের আমেজই হোক, কিংবা বন্ধু ও পরিবারের সাথে সতেজ পানীয় ভাগ করে নেওয়ার সরল আনন্দ। ভোক্তাদের কাছাকাছি পানীয় ও অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে কোম্পানিটি এই মরশুমের রঙ, সম্পর্ক এবং উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলতে চায়।
