এই দুর্গাপূজায়, কোকা-কোলা ইন্ডিয়া ‘লাল মেঝে’-র মাধ্যমে কলকাতার প্রিয় আড্ডার ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনছে। এটি পাড়ার উঠোন, বারান্দা এবং পরিচিত মিলনস্থলগুলি থেকে অনুপ্রাণিত একটি সাংস্কৃতিক উদ্যোগ, যা দীর্ঘকাল ধরে শহরের সামাজিক জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। কলকাতার শহুরে নগরায়ণের ভিড়ে এই ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলি যখন হারিয়ে যেতে বসেছে, তখন কোকা-কোলার সাংস্কৃতিক উদ্যোগ— ‘লাল মেঝে সেগুলিকে পুনর্নির্মাণ করতে চায়, যাতে মানুষ উৎসবের ব্যস্ততার মাঝে একটু থামতে এবং ধীরস্থিরভাবে প্রিয়জনদের সাথে গল্প করার আনন্দ উপভোগ করতে পারে।
যদিও প্যান্ডেল ঘোরা, খাওয়া-দাওয়া আর উৎসবই দুর্গাপূজার মূল আকর্ষণ, বন্ধু, পরিবার ও পুরোনো পরিচিতদের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিলিত হওয়াও এই অভিজ্ঞতার একটি সমান প্রিয় অংশ। নির্ধারিত লাল মেঝে আড্ডা স্পেসগুলির মাধ্যমে, কোকা-কোলা এই ঐতিহ্যকে উৎসবের মধ্যে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে।
কোকা-কোলা টিএম ইন্ডিয়া ও সাউথওয়েস্ট এশিয়ার মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর কার্তিক সুব্রামানিয়ান বলেছেন, “লাল মেঝে-র মাধ্যমে আমরা শুধু একটি স্পেস দিতে চাইনি। আমরা একটি চিরন্তন স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনতে চেয়েছি যে, জীবন যতই দ্রুত, ব্যস্ত বা ভিড়ে ঠাসা হোক না কেন, আমাদের প্রিয় আড্ডার জন্য সময় বের করে নেওয়া সবসময়ই সম্ভব। আড্ডা বরাবরই কলকাতার সাংস্কৃতিক পরিচয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং এই একাত্মতার ঐতিহ্য উদযাপনের জন্য পুজোর চেয়ে ভালো সময় আর হয় না। আমরা আশা করছি লাল মেঝে-র মাধ্যমে মানুষকে তাদের সংস্কৃতি, তাদের সম্প্রদায় এবং একে অপরের আরও কাছাকাছি আনতে পারব।”
ওগিলভি ইন্ডিয়ার গ্রুপ সিসিও সুকেশ নায়েক বললেন, “ক্যাফে আর জমকালো আড্ডার জায়গাগুলো জনপ্রিয় হওয়ার অনেক আগেই বাংলায় ছিল তার সাদামাটা লাল মেঝে। সেই লাল অক্সাইডের মেঝে, যা মার্ক্স থেকে মোহনবাগান, প্রথম ভালো লাগা থেকে তুমুল তর্ক—সবকিছুরই সাক্ষী ছিল। এটা কখনোই শুধু একটা মেঝে ছিল না। আর এই পুজোয়, কোক একে ফিরিয়ে আনছে।”
কোকা-কোলা লাল মেঝে-র একটি বিশেষ মাইক্রোসাইট রয়েছে, যেখানে মানুষ দলবদ্ধ সমাবেশের জন্য তাদের পছন্দের স্থান ও সময় সংরক্ষণ করতে পারবেন।
কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আড্ডা সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে কোকা-কোলা এই দুর্গাপূজায় ‘লাল মেঝে’ ভাবনাকে ফিরিয়ে এনেছে
