বিজয়া দশমীতে নজর কাড়ল ইন্দ্রিয়ার ‘পদ্মিকা’ রঙ্গবলি

আদিত্য বিড়লার জুয়েলারি ব্র্যান্ড ‘ইন্দ্রিয়া’ বিজয়াদশমী উপলক্ষে ভারতের সবচেয়ে বড় টেকসই জুয়েলারি রঙ্গবলি প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়েছে। বেঙ্গালুরুর ওরিয়ন মল এবং শ্রী সত্য গণপতি শিরডি সাঁইবাবা মন্দিরে আয়োজিত এই প্রদর্শনীটি ইন্দ্রিয়ার নতুন উৎসবের কালেকশন ‘পদ্মিকা’-র একটি আইকনিক গয়নার ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। চাল, বাজরা এবং বীজের মতো পরিবেশবান্ধব উপাদান দিয়ে তৈরি এই রঙ্গবলি শিল্পকর্মটি যথাক্রমে ৪০০ এবং ১,৬০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। এই অনন্য উদ্যোগটির পেছনে বিশিষ্ট রঙ্গোলি শিল্পী শিখা শর্মা, যিনি “থ্রি-ডি রঙ্গোলি কুইন” নামে পরিচিত, তাঁর দক্ষতা ও অবদান রয়েছে।

‘পদ্মিকা’ কালেকশনটি ২২ ক্যারট সোনায় তৈরি এবং এটি ‘গোলাপি মীনাকারি’ নামক দুর্লভ গোলাপি এনামেল কারুশিল্পকে নতুন জীবন দিয়েছে। এই শিল্পকর্মে নকশি ফুলের কারুশিল্প এবং পদ্মফুলের ওপর উপবিষ্ট দেবী লক্ষ্মীর পবিত্র রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা সমৃদ্ধি ও নতুন সূচনার প্রতীক। ইন্দ্রিয়ের মার্কেটিং ও ভিজ্যুয়াল মার্চেন্ডাইজিং প্রধান শান্তিস্বরূপ পান্ডা এই উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য অর্থবহ এবং সমসাময়িক অভিব্যক্তির মাধ্যমে ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে উদযাপন করা। এই জুয়েলারি রঙ্গবলি আমাদের সেই দৃষ্টিভঙ্গির সম্প্রসারণ।”

এই উদযাপনের অংশ হিসেবে ইন্দ্রিয়া একটি বিশেষ রঙ্গবলি প্রতিযোগিতাও চালু করে, যেখানে গ্রাহকরা তাদের বাড়িতে পদ্মিকা-অনুপ্রাণিত গয়নার রঙ্গবলি তৈরি করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। সৌভাগ্যবান ১০০ জন বিজয়ী ২০ মিলিগ্রামের ২২ ক্যারট সোনার কয়েন জেতার সুযোগ পান। উৎসবের পর, শিল্পকর্মে ব্যবহৃত চাল, বাজরা এবং বীজগুলি ‘অখিল কর্ণাটক প্রাণী দয়া সংঘ গোশালা’-র সহযোগিতায় পাখি ও প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে পুনর্ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই উদ্যোগকে আরও টেকসই করে তুলেছে।