দীপাবলিকে কেন্দ্র করে উৎসবের কেনাকাটায় মেতে উঠেছেন দেশবাসী। ঘর সাজানোর সামগ্রী, পুজোর উপকরণ, সোনা-রুপোর কয়েন, মিষ্টি ও উপহারের চাহিদা বেড়েছে বলে জানিয়েছে ইনস্টামার্ট। সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় মোমবাতি ও গাঁদা ফুলের চাহিদা বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ এবং উপহারের ঝুড়ি বা হ্যাম্পারের অর্ডার বেড়েছে প্রায় ৩০০ শতাংশ।
ধনতেরাসের আগের সপ্তাহে সোনার কয়েনের অর্ডার বেড়েছে ২৩ গুণ। ১ গ্রামের কয়েন ছিল ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ। সোনা কেনায় শীর্ষে বেঙ্গালুরু, এরপর হায়দ্রাবাদ ও মুম্বাই। অন্যদিকে, রুপোর কয়েনের অর্ডার বেড়েছে ৭ গুণ। এই ক্ষেত্রে এগিয়ে দিল্লি। এক ক্রেতা এক অর্ডারেই ১ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকার সোনার কয়েন কিনেছেন। নয়ডার এক ক্রেতা ৯টি অর্ডারে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার সোনার কয়েন কেনেন।
দীপাবলির প্রস্তুতিতে ফুলের অর্ডার বেড়েছে ৪২ শতাংশ, পুজোর প্রদীপের ৪৫ শতাংশ এবং এলইডি আলোর ৮৮ শতাংশ। মিষ্টির অর্ডার বেড়েছে ৫৫ শতাংশেরও বেশি। লাড্ডু, সোনপাপড়ি ও কাজু কাটলির চাহিদা ছিল সর্বাধিক।
শহরভেদে খাবারের পছন্দেও বৈচিত্র্য দেখা গিয়েছে। চেন্নাইয়ে গুলাব জামুন, আমেদাবাদ ও জয়পুরে সোনপাপড়ি, বেঙ্গালুরুতে বড়া ও কোডুবালে এবং পুনেতে চিউড়া ও ভাকারওয়াড়ি ছিল বিশেষ পছন্দের।
স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে প্রোটিন চিপসের অর্ডার ২৩৯ শতাংশ, মিলেট স্ন্যাকসের ১৮৮ শতাংশ এবং চিনিমুক্ত মিষ্টির ৭১ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি, পোশাক, জুতো, ব্যাগ ও উপহার মোড়ানোর সামগ্রীর চাহিদাও বেড়েছে। রাত ১২টা থেকে ২টোর মধ্যেও কেনাকাটার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাজসজ্জার আলোর অর্ডার বেড়েছে ৯০৩ শতাংশ এবং মোমবাতির ২৮৯ শতাংশ। ১ নভেম্বর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল উৎসবের কেনাকাটা।
