বিগত বেশ কিছুদিন ধরে ক্রমাগত বদলে চলেছে রাজ্যের আবহাওয়া। কখনো বৃষ্টি কখনো রোদ ঝলমল করেছে। বাড়তে থাকা নাজেহাল করা গরমের মাঝেই আবার ঝড় সহ বৃষ্টিপাত। এই পরিস্থিতিতে জেরে সাময়িক তাপমাত্রা কমলেও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি এপ্রিলের শুরু থেকেই।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের যে সমস্ত সরকারি স্কুলে সেই সব স্কুলে ক্লাসের সময় অর্থাৎ স্কুল টাইমিং এগিয়ে আনার জন্য আবেদন করলেন শিক্ষকদের একাংশ। স্কুলে ক্লাসের সময় এগিয়ে আনার জন্য বিকাশ ভবনে স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষকদের একাংশ। গরম বাড়লেও গরমের ছুটি পড়তে এখনও দেরি। এই আবহে শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, যে সব স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, সেসব স্কুল বন্ধ থাকলেও বাকি সব স্কুল খোলা রয়েছে।
তীব্র গরমে রোজ স্কুলে যেতে পড়ুয়াদের কষ্ট হচ্ছে। সেই কথা মাথায় রেখেই শিক্ষাসচিবকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের মতে, প্রাথমিকের পড়ুয়াদের বেশি কষ্ট হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের বহু প্রাথমিক স্কুলেই দু’টি বা তিনটি শ্রেণিকক্ষে ঠাসাঠাসি করে বসতে হয়। ফলে, দুপুরের দিকে তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে পড়ুয়াদের কষ্ট হচ্ছে। আগামী ১১ মে থেকে গরমের ছুটি রাজ্যের স্কুলগুলিতে।
