বিকেলের খিদে মেটাতে শিঙাড়া আর মুড়ির জুটি বাঙালির বড় প্রিয়। তবে চেনা শিঙাড়ায় যদি থাকে পাঞ্জাবি স্বাদের ছোঁয়া, তা হলে মন্দ হয় না! আলুর পুর, কিশমিশ আর বিশেষ মশলার মিশেলে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন মুচমুচে শিঙাড়া। রইল সহজ রেসিপি।
উপকরণ
খোলস তৈরির জন্য
ময়দা ১ কাপ
জোয়ান আধ চা-চামচ
ঘি ২ টেবিল চামচ
নুন স্বাদমতো
ঠান্ডা জল প্রয়োজনমতো
শিঙাড়ার মশলার জন্য
গোটা ধনে ১ টেবিল চামচ
মৌরী ১ টেবিল চামচ
গোটা জিরে আধ টেবিল চামচ
পুর তৈরির জন্য
ঘি ১ টেবিল চামচ
আদা কুচি ১ ইঞ্চি
কাঁচালঙ্কা কুচি ২টি
কিশমিশ ১০-১২টি
হলুদগুঁড়ো ১ চা-চামচ
লঙ্কাগুঁড়ো আধ চা-চামচ
হিং এক-চতুর্থাংশ চা-চামচ
সেদ্ধ আলু ৪-৫টি
কড়াইশুঁটি এক-চতুর্থাংশ কাপ
তৈরি মশলা দেড় টেবিল চামচ
গোলমরিচের গুঁড়ো আধ চা-চামচ
আমচুর গুঁড়ো ১ চা-চামচ
নুন স্বাদমতো
ভাজার জন্য তেল
প্রণালী
একটি পাত্রে ময়দা, নুন, জোয়ান ও ঘি দিয়ে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি ঝুরঝুরে হলে অল্প অল্প করে ঠান্ডা জল দিয়ে শক্ত করে ময়দা মেখে নিন। ঢাকা দিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। শুকনো কড়াইয়ে ধনে, মৌরী ও জিরে হালকা ভেজে নিন। ঠান্ডা হলে হামানদিস্তায় থেঁতো করে নিন। মশলা একেবারে গুঁড়ো না করে একটু মোটা রাখলে শিঙাড়ায় সুন্দর সুগন্ধ আসবে। কড়াইয়ে ঘি গরম করে আদা ও কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে এক মিনিট নাড়ুন। এ বার কিশমিশ, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো ও হিং দিন। সেদ্ধ আলু এবং কড়াইশুঁটি দিয়ে ভালো করে মেখে নিন।
ঢাকা দিয়ে মাঝারি আঁচে ৪-৫ মিনিট রান্না করুন। তারপর ঢাকা খুলে আরও ৩-৪ মিনিট নাড়াচাড়া করুন। শেষে তৈরি মশলা, গোলমরিচের গুঁড়ো, আমচুর ও নুন মিশিয়ে নামিয়ে নিন। পুর ঠান্ডা হতে দিন। ময়দার তাল থেকে মাঝারি আকারের লেচি কেটে লম্বাটে ডিম্বাকারে বেলে নিন। মাঝখান দিয়ে কেটে দু’টি ভাগ করুন। একটি ভাগ নিয়ে শঙ্কুর মতো আকার তৈরি করে জলের সাহায্যে ধারগুলি আটকে দিন।
এ বার শঙ্কুর মধ্যে আলুর পুর ভরে খোলা মুখে জল লাগিয়ে ভালো করে বন্ধ করে দিন। নীচের অংশে হালকা চাপ দিয়ে শিঙাড়াকে দাঁড় করিয়ে দিন। একইভাবে বাকি শিঙাড়াগুলিও তৈরি করুন।
কড়াইয়ে তেল গরম করে শিঙাড়াগুলি মাঝারি আঁচে ভাজুন। সব দিক সোনালি ও মুচমুচে হয়ে এলে তুলে নিন। অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন টম্যাটো সসের সঙ্গে।
