এএম/এনএস ইন্ডিয়া ও বিটস পিলানি-র যৌথ উদ্যোগ

আর্সেলরমিত্তাল নিপ্পন স্টিল ইন্ডিয়া এবং বিটস পিলানি-র কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। ‘ম্যানুফ্যাকচারিং ম্যানেজমেন্ট’-এ এমবিএ কোর্সের প্রথম ব্যাচটি সফলভাবে তাদের শিক্ষা সম্পন্ন করেছে। কোম্পানির প্রধান হাজিরা প্ল্যান্টে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুরাটের পুলিশ কমিশনার শ্রী অনুপম সিং গহলৌত (আইপিএস)।

‘প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ বি.টেক কর্মসূচির ধারাবাহিক সাফল্যের পর, ভবিষ্যতে নেতৃত্ব প্রদানের উপযোগী কর্মী-ভিত্তি বা লিডারশিপ পাইপলাইন গড়ে তুলতে বিটস পিলানি-র ‘ওয়ার্ক ইন্টিগ্রেটেড লার্নিং প্রোগ্রাম’-এর ওপর ভরসা করে চলেছে এএম/এনএস ইন্ডিয়া। আধুনিক ইস্পাত উৎপাদন শিল্পের নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উদ্দেশ্যে এই কোর্সের পাঠ্যক্রমটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এতে একদিকে যেমন সাপ্লাই চেইন অপ্টিমাইজেশন ও স্ট্র্যাটেজিক ফাইন্যান্সের মতো ব্যবস্থাপনার মূল বিষয়গুলো রয়েছে, তেমনই অন্যদিকে যুক্ত করা হয়েছে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ও পরিবেশবান্ধব বা টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়ার মতো আধুনিক প্রযুক্তিগত দিকও।

পড়াশোনার পদ্ধতি সহজ ও নমনীয় হওয়ায় ইস্পাত উৎপাদন ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বিভাগের কর্মীরা ফুল-টাইম ডিউটি করার পাশাপাশি এই কঠিন পড়াশোনাও দারুণভাবে সামলে নিয়েছেন। ডিগ্রি শেষ করার পর, এই কর্মীরা তাঁদের বিশেষ ক্যাপস্টোন প্রজেক্ট-এর মাধ্যমে কারখানার বাস্তব কাজের নানা জটিল সমস্যার সমাধান করেছেন। এর ফলে কাজের গতি ও মান যেমন বেড়েছে, তেমনই কোম্পানির ব্যবসাতেও বড়সড় লাভ হয়েছে। শ্রী অনুপম সিং গহলৌত সফলভাবে ডিগ্রি অর্জন করা কর্মীদের নিয়মানুবর্তিতার প্রশংসা করেছেন। তিনি তাঁদের অনুরোধ জানান, যেন তাঁরা নিজের কোম্পানির উন্নতির পাশাপাশি ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতেও অবদান রাখেন। এএম/এনএস ইন্ডিয়া-র এইচআর বিভাগের প্রধান আশুতোষ তেলাং বলেন, এই সাফল্য প্রমাণ করে যে কোম্পানি বিশ্বমানের লিডার তৈরি করতে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অন্যদিকে, বিটস পিলানির ডেপুটি ডিরেক্টর অধ্যাপক এস গুরুনারায়ণন জানান, যৌথ ভাবে তৈরি এই সিলেবাসটি পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানার বাস্তব কাজের মধ্যে চমৎকার মেলবন্ধন ঘটিয়েছে, যা এএম/এনএস ইন্ডিয়া-র ব্যবসাকে আরও সফল করতে সাহায্য করছে।