ডায়েটের কারণে অনেকেই তেল-মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলেন। তবে মাছ পুরোপুরি বাদ দেওয়া যায় না, কারণ এতে উচ্চমানের প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে। আবার কম তেলে মাছ ভাজা হলে অনেক সময় মাছের আঁশটে গন্ধ রয়ে যায়। তবে অল্প তেলেও রান্না সম্ভব। শিখে নিন এমনই রান্নার তিন কৌশল।
মাছের মশলা ফ্রাই
মাছের টুকরোগুলোতে নুন, হলুদ, পাতিলেবুর রস, সামান্য জল ঝরানো টক দই, আদা-রসুন বাটা ও অল্প অলিভ অয়েল মেখে আধঘণ্টা মেরিনেট করে রাখুন। ননস্টিক তাওয়ায় খুব অল্প তেল গরম করে মাছ দিন এবং ঢেকে রান্না করুন। প্রয়োজনে সামান্য জল ছিটিয়ে ভাপের সাহায্যে সেদ্ধ করুন। এক পিঠ ভাজা হলে উল্টে অন্য পিঠ রান্না করুন। দুই পাশ ভালোভাবে সোনালি ও মুচমুচে না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। মশলা ও দইয়ের সংমিশ্রণে মাছের কাঁচা গন্ধও দূর হয়।
তেল ছাড়াই মাছের কালিয়া
মাছ নুন ও হলুদ মাখিয়ে ননস্টিক তাওয়ায় অল্প তেলে হালকা ভেজে তুলে রাখুন।
অন্যদিকে পেঁয়াজ, রসুন, টমেটো ও কাজুবাদাম দিয়ে জল ও নুন সহযোগে সেদ্ধ করে মিশ্রণ তৈরি করুন। এরপর এটি মিক্সারে মিহি করে নিন। কড়াইয়ে মিশ্রণটি ঢেলে তেল ছাড়াই কষিয়ে নিন। ভাজা মাছ এতে দিয়ে অল্প জল যোগ করে কম আঁচে রান্না করুন। এতে স্বাদ থাকবে ঘন ও মসৃণ, অথচ তেলের ব্যবহার প্রায় থাকবে না।
তিল-পোস্ত মাছ
মাছ টক দই, গোলমরিচ ও নুন মেখে অন্তত আধঘণ্টা রেখে দিন। এরপর খুব সামান্য তেল দিয়ে বা তেল ছাড়াই ননস্টিক কড়াইয়ে হালকা ভেজে নিন।
অন্যদিকে সাদা তিল ও পোস্ত বাটা, নুন, হলুদ ও কাঁচালঙ্কা মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এটি মাছের সঙ্গে কিছুক্ষণ কষিয়ে সামান্য জল দিয়ে ঢেকে দিন। ভাপেই মাছ সম্পূর্ণ রান্না হয়ে যাবে, স্বাদেও থাকবে ভিন্নতা।
