কোটাক বিজল্যাবস ও এনএসআরসিইএল-এর যৌথ উদ্যোগে ‘উইমেন স্টার্টআপ প্রোগ্রাম’

কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক লিমিটেড আজ কোটাক বিজল্যাবস দ্বারা চালিত এনএসআরসিইএল-এর ‘উইমেন স্টার্টআপ প্রোগ্রাম’-এর আগামী সংস্করণের কথা ঘোষণা করেছে। কোটাক ব্যাঙ্কের সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর উদ্যোগের অংশ এই প্রোগ্রামটি নারী প্রতিষ্ঠাতাদের আইডিয়া তৈরি থেকে ব্যবসার পরিধি বাড়ানো পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা প্রদান করে। এর মূল লক্ষ্য হলো টায়ার-২ এবং টায়ার-৩ শহরগুলির সম্ভাবনাকে উন্মোচন করা। এই প্রোগ্রামে এখন পর্যন্ত ৬০০-রও বেশি নারী উদ্যোক্তাকে মেন্টরশিপ ও ইকোসিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে। ভারতে স্টার্টআপের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ছাড়ালেও, নারী উদ্যোক্তারা এখনও ঋণ পাওয়ার সীমিত সুযোগ ও মেন্টরশিপের অভাবের মতো বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। নন-মেট্রো শহরগুলিতে সামাজিক ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে এই চ্যালেঞ্জ আরও বাড়ছে।

নারীদের এই নন-লিনিয়ার যাত্রাকে সফল করতে প্রোগ্রামটি ৪টি ধাপে কাজ করে: ভিত্তি বা ‘ফাউন্ডেশন’ পর্যায়, আইডিয়া যাচাইয়ের জন্য ‘প্রি-ইনকিউবেশন’, ব্যবসার বিকাশের জন্য ‘ইনকিউবেশন’ এবং বাজারে প্রবেশের জন্য ‘স্কেল-আপ হাব’ নিয়ে আসা হয়েছে। কোটাকের সিএসআর ও ইএসজি প্রধান হিমাংশু নিভসরকার বলেন, “মূলধনের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হলো একটি সহায়ক নেটওয়ার্কের অভাব। এই প্রোগ্রাম নারীদের সেই আত্মবিশ্বাস ও ধারাবাহিকতা জোগাবে।” অন্যদিকে, এনএসআরসিইএল-এর সিইও রসিকা প্রশান্ত জানান, ভারতের পরবর্তী উদ্যোক্তাদের জোয়ার আসবে ছোট শহর থেকে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে মেন্টরশিপ ও বাজারের সংযোগ ঘটিয়ে নারীদের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে স্থিতিশীল ব্যবসায় রূপান্তর করা হবে।

ছোট শহরের পরিধি বাড়াতে এই প্রোগ্রাম পুনরুৎপাদনশীল কৃষি, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে কাজ করছে। ২০২৫ সালে ৩০টি স্টার্টআপকে ৩ কোটি টাকার তহবিল দেওয়ার পর, এবারও আঞ্চলিক ইকোসিস্টেমের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও গভীর করা হবে। কোটাক বিজল্যাবস-এ এই অন্তর্ভুক্তি সব ধরণের উদ্যোক্তাদের প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করবে।