নয়াদিল্লির তাজ প্যালেসে ৭ম এইচএআই হোটেল ব্যবসায়ীদের সম্মেলনের আয়োজন করল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (HAI)। ‘হসপিটালিটি ক্ষেত্রের পুনর্গঠন’ থিমের সম্মেলনের উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় পর্যটন ও সংস্কৃতিমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত। ২০৪৭ সালের লক্ষ্যে পর্যটন ও হসপিটালিটি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ, পরিকাঠামো, কর্মসংস্থান, আঞ্চলিক উন্নয়ন ও নীতি সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুভেচ্ছা জানিয়ে ‘অতিথি দেবো ভবঃ’-এর ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। উন্নত যোগাযোগ ও পরিকাঠামোর পাশাপাশি ধর্মীয়-আধ্যাত্মিক, অ্যাডভেঞ্চার, সুস্থতা ও বিবাহ পর্যটনে নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে জানান তিনি। যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধির উপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখাওয়াত বলেন, ভারতীয় হসপিটালিটি ক্ষেত্র এখন থাকার ব্যবস্থা থেকে অভিজ্ঞতাভিত্তিক পর্যটনের দিকে এগোচ্ছে। ২০২৪ সালে দেশে ৪০০ কোটিরও বেশি অভ্যন্তরীণ পর্যটন ভ্রমণ হয়েছে। HAI সভাপতি কে বি কাছরুজানান, প্রায় ২,২৫,০০০ হোটেল কক্ষের মাধ্যমে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রাক্তন G20 প্রতিনিধি অমিতাভ কান্ত আন্তর্জাতিক প্রচার, কর্মসংস্থান, পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়ন ও শেষ মাইলের পরিকাঠামো শক্তিশালী করার উপর জোর দেন। HAI-এর সাধারণ সম্পাদক এম পি বেজবরুয়া দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সক্ষমতা ও হসপিটালিটি পরিকাঠামো শক্তিশালী করার কথা বলেন।
সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি, ব্যবসায়িক পর্যটন, দক্ষতা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, খাদ্য ও পানীয় এবং ভারতের আন্তর্জাতিক পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। ‘ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া: ইনভ্যালুয়েবল ইকোনমিক্স’ অধিবেশনে পুনীত ছটওয়াল অংশ নেন। রাজদীপ সরদেশাই ও কপিল দেবের বিশেষ আলোচনায় নেতৃত্ব ও খেলাধুলা থেকে পাওয়া শিক্ষা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে ৩০০-রও বেশি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে ২০৪৭ সালের লক্ষ্যে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও বিনিয়োগবান্ধব হসপিটালিটি ক্ষেত্র গড়তে সরকার ও শিল্পক্ষেত্রের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার উপর জোর দেওয়া হয়।
