যদিও শিক্ষক মহলের একাংশের দাবি, গত কয়েক বছরে দেখা গেছে তাপপ্রবাহজনিত কারণে নির্ধারিত গ্রীষ্মাবকাশের অনেক আগেই ছুটি দিয়ে দিতে হয়েছে। সে ছুটি প্রলম্বিত হয়েছে প্রায় দেড় মাস। এই অতিরিক্ত ছুটি রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। তাই শিক্ষা দফতরের ক্যালেন্ডারে গ্রীষ্মের ছুটি কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে, পুজোর ছুটি টানা ২৫ দিনই ধার্য হয়েছে প্রাথমিক স্কুলগুলির জন্য।
এ প্রসঙ্গে নারায়ণদাস বাঙ্গুর স্কুলে প্রধানশিক্ষক সঞ্জয় বড়ুয়া বলেন, “অতিরিক্ত গরমের ছুটি দিচ্ছে সরকার, তাই পর্ষদের কাছে এই ছুটি গুরুত্ব কমছে। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ১১ দিন ছুটি ছিল, আগামী বছর তা কমে হয়েছে ৬ দিন।”
সার্বিক ভাবেই স্কুলের ছুটির সংখ্যা কমেছে। আগে সারা বছরে স্কুলগুলিতে ৮০ দিন ছুটি থাকত। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডলের দাবি, “সার্বিক ভাবেই যদি আগের মতো ৮০ দিন ছুটি দেওয়া হত, তা হলে কোনও সমস্যাই থাকত না।”
