জল্পনা চলছিল বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই, অবশেষে তা সত্যি হতে চলেছে, নেওয়া হলো সিদ্ধান্ত। মন্দিরে গিয়ে ফুল, বেল পাতা সহ নানা ধরণের অর্ঘ্য দিয়ে পুজো দেন ভক্তরা। তবে দিনের শেষে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলির ঠিকানা হয় নর্দমা অথবা আবর্জনার স্তূপ।
এবার সেই ছবি বদলে মন্দিরের বর্জ্য থেকে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে চলেছে। এই বিষয়ে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, বিভিন্ন মন্দির থেকে সংগ্রহ করা ব্যবহৃত ফুল ও পুজোর উপকরণ আর অপচয় করা হবে না। বিশেষ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে সেগুলি দিয়ে সুগন্ধি ধূপকাঠি ও বসন্ত উৎসবের জন্য নিরাপদ ও ভেষজ আবির তৈরি করা হবে।
এতে পরিবেশরক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন রাস্তা খুলে যাবে। দুর্গাপুজো থেকে পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে উত্তরবঙ্গের তিনটি মন্দিরে এই উদ্যোগ চালু করা হচ্ছে। এই ঘোষণা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতি দুইয়ের উপরেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
