এই দুর্গাপূজায় মানুষের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান উপহার কোনো মোড়কে বন্দি সামগ্রী নয়, বরং ভালোবাসার মানুষদের সঙ্গে কাটানো কিছুটা বাড়তি সময়। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ‘ইউনোমার’-এর সহায়তায় পরিচালিত টাটা টি গোল্ডের একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী গ্রাহকদের ৬৮ শতাংশই দামি উপহার বা শপিং ভাউচারের চেয়ে পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে চা-এর আড্ডায় সময় কাটাতে বেশি আগ্রহী। পুজো সবাইকে একত্রিত করলেও তা যেন চোখের পলকেই শেষ হয়ে যায়। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮৩ শতাংশ মানুষের মতে, পরিবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত সুন্দর সময় কাটানোর আগেই পুজো ফুরিয়ে যায়। উৎসবের ব্যস্ত দিনগুলি এই মানুষগুলিকে একসূত্রে বাঁধে। প্রায় ৯৪ শতাংশ উত্তরদাতার বিশ্বাস, এক কাপ চা পুরো পরিবারকে একটু থমকে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ করে দেয়।
এই অনুভূতিকে সামনে রেখেই টাটা টি গোল্ড শুরু করেছে তাদের নতুন শারদীয়া অভিযান ‘একসঙ্গেই গোল্ড’। জীবনের ব্যস্ততায় যখন একান্তে কাটানোর মতো সময়ের বড় অভাব, তখন প্রতিটি বাড়তি মুহূর্তই হয়ে ওঠে অমূল্য। এই প্রচারের ছবিতে মা ও ছেলের জীবনের দুটি আলাদা অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে। ছোটবেলায় ছেলেটি চাইত পুজো যেন কখনো শেষ না হয়, যাতে মাকে কাজে ফিরে যেতে না হয়। বহু বছর পর প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও সে চায় মা যেন তার কাছে আরও কিছুক্ষণ থেকে যান। তাঁদের টাটা টি গোল্ড চা হয়ে ওঠে সেই আন্তরিক বিরতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, আরেক কাপ চা উপহার দেয় আরও কিছুটা খোশগল্প এবং একসাথে কাটানো বাড়তি কিছু সোনালী মুহূর্ত।
টাটা কনজিউমার প্রডাক্টসের প্যাকেজড বেভারেজেস এবং অর্গানিক ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট শরৎ ভর্মা বলেন, পুজো আমাদের এক হওয়ার নানা কারণ দেয়, কিন্তু একসাথে শান্তিতে কাটানোর মতো সময় দেয় সামান্যই। এক কাপ চা সেই সামান্য বিরতিটুকু তৈরি করে, যেখানে বসে কথা বলা যায়। ‘একসঙ্গেই গোল্ড’-এর মাধ্যমে এই সাধারণ মুহূর্তগুলোকেই উদযাপন করা হয়েছে। ‘মঙ্কস’-এর চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার সন্দীপন ভট্টাচার্য জানান, জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান উপহার বাক্সে মোড়ানো থাকে না, তা মাপা হয় সময়ের নিরিখে। এই ভাবনাকে উদযাপন করতে টাটা টি গোল্ড চারটি বিশেষ উৎসবের প্যাকেজিং নিয়ে এসেছে, যেখানে ধুনুচি নাচ, সিঁদুর খেলা ও পারিবারিক উদযাপনের মতো মুহূর্তগুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
