অভিনেতা সুনীল শেঠি সম্প্রতি তাঁর ১৫ মাস বয়সী নাতনি ইভারার সকালের রুটিন নিয়ে একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা শেয়ার করেছেন। এতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ছবির সাথে শিশুটির এক কৌতুকপূর্ণ ও স্নেহপূর্ণ অভ্যাসের কথা উঠে এসেছে। শেঠির মতে, শিশুটি প্রতিদিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে ‘লাড্ডু খাওয়ানোর’ মতো একটি অভ্যাস গড়ে তুলেছে; পারিবারিক জীবনের কথা বলার সময় তিনি বেশ ভালোলাগা ও আনন্দের সাথে এই বিষয়টি তুলে ধরেন। অভিনেতা জানান, এই বিষয়টি এখন তাঁদের পরিবারের জন্য এক আনন্দঘন মুহূর্ত হয়ে উঠেছে। এটি একদিকে যেমন শিশুটির দৈনন্দিন কাজ অনুকরণ করার নিষ্পাপ প্রবণতাকে ফুটিয়ে তোলে, তেমনি পরিবারের সেই সাংস্কৃতিক পরিবেশকেও তুলে ধরে যেখানে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ও শ্রদ্ধাশীল আচরণ দৈনন্দিন উদযাপনের অংশ।
শেঠি জানান যে, এ ধরনের ছোট ছোট মুহূর্ত পরিবারে আনন্দ বয়ে আনে এবং প্রায়শই স্মরণীয় গল্প হয়ে ওঠে যা তারা পরম মমতায় মনে রাখে। তিনি আরও বলেন, ছোট শিশুরা সাধারণত তাদের চারপাশের আচরণ অনুকরণ করে শেখে; ইভারার এই কাজ আসলে তার বেড়ে ওঠার সময় পাওয়া স্নেহ ও আনন্দময় পরিবেশেরই বহিঃপ্রকাশ। একজন রাজনৈতিক নেতার ছবির সাথে কোনো শিশুর এমন প্রতীকী মিথস্ক্রিয়ার বিষয়টি ছিল যেমন অভিনব, তেমনই হৃদয়গ্রাহী—আর তাই অভিনেতার এই মন্তব্য দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়ায় সবার নজর কাড়ে।
এই ঘটনাটি অনলাইনে হালকা আলোচনারও জন্ম দিয়েছে যে, কীভাবে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাংস্কৃতিক আইকনদের সাধারণ পরিবারের সদস্যরা—বিশেষ করে শিশুরা—দেখে থাকে। শিশুরা ছবি ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব কল্পনাশক্তির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করে। যদিও শেঠি ছবিটির প্রেক্ষাপট বা এই কাজটি কতবার করা হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি, তবে তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অর্থের চেয়ে শিশুটির এই আচরণের পেছনের নিষ্পাপ ভাবটির ওপরই বেশি জোর দিয়েছেন। এই গল্পটি অভিনেতার পারিবারিক জীবনের আরেকটি ব্যক্তিগত দিক উন্মোচন করে; এটি এমন সব দৈনন্দিন মুহূর্তকে তুলে ধরে যা চলচ্চিত্র ও ফিটনেস প্রচারণার মতো তাঁর পরিচিত জনজীবনের আড়ালে প্রায়শই অগোচরে থেকে যায়।
