রাজ্যবাসীর জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে অবশেষে দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে বর্ষা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করতে পারে। গত ৪ জুন কেরলে বর্ষা আছড়ে পড়ার পর তা দ্রুত গতিতে অগ্রসর হয়ে সোমবারের মধ্যে মহারাষ্ট্রের সোলাপুর, কর্নাটকের কালবুর্গি এবং তামিলনাড়ুর চেন্নাই পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। এর ফলে আগামী কয়েক দিনে সিকিম, ওড়িশা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির পাশাপাশি বাংলাতেও বর্ষা প্রবেশের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছরের মতো এবারও উত্তরবঙ্গ দিয়েই রাজ্যে বর্ষা প্রথম প্রবেশ করবে এবং পরবর্তীতে তা দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে অগ্রসর হবে। তবে বর্ষা আসার আগেই প্রাক-বর্ষার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় গত কয়েক দিন ধরে দফায় দফায় ঝড়বৃষ্টি চলছে, যার ফলে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমেছে। আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বর্ষা পুরোপুরি ঢোকার পর ভ্যাপসা গরমের এই অস্বস্তি আরও অনেকটাই কেটে যাবে।
আপাতত বর্ষার অপেক্ষায় থাকা তিলোত্তমায় এখনই বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ নেই। আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার কলকাতায় আবারও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই দুই দিন বৃষ্টির পাশাপাশি মহানগরীতে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে এই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টিপাত আগামী কয়েক দিন বজায় থাকবে, যা রাজ্যে বর্ষার আনুষ্ঠানিক আগমনকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
