দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় বড়সড় বদলের পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আজ বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের আটটি জেলায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে দমকা হাওয়া সহ কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হুগলি, দুই বর্ধমান, দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম। বাদ যাবে না কলকাতাও; আজ দুপুরের পর তিলোত্তমায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবারও দক্ষিণের জেলাগুলিতে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তবে আপাতত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই, বরং সপ্তাহভর বিক্ষিপ্তভাবে এই ঝড়-বৃষ্টির প্রক্রিয়া জারি থাকবে।
অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই গত ৯ জুন বর্ষা প্রবেশ করে গিয়েছে। আগামী কয়েক দিন উত্তরের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাশাপাশি কোচবিহারসহ উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া এবং বজ্রপাত হতে পারে। আগামীকাল শুক্রবারও এই জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টির ধারা বজায় থাকবে।
আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে যে, দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দক্ষিণবঙ্গসহ পার্শ্ববর্তী বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশাতে প্রবেশ করতে পারে। বৃষ্টির সময়ে গরমের দাপট থেকে সাময়িক স্বস্তি মিললেও, বৃষ্টি থামলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। তবে আগামী দু’দিন পর থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা প্রায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে, যা সাধারণ মানুষকে তীব্র গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি দেবে।
