মায়োপিয়া রুখতে এসিলর স্টেলেস্ট পেল মার্কেট অথোরাইজেশন

EssilorLuxottica আজ ঘোষণা করেছে যে, ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন তাদের Essilor® Stellest® লেন্সের জন্য ডি নোভো পাথওয়ে ব্যবহার করে মার্কেট অথোরাইজেশন দিয়েছে। এই মাইলফলকটি স্টেলেস্ট®-কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এবং একমাত্র এফডিএ-অনুমোদিত চশমার লেন্স হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যা শিশুদের মায়োপিয়ার (দৃষ্টিস্বল্পতার) অগ্রগতি ধীর করতে সক্ষম এবং তা প্রামাণিত। ক্লিনিক্যাল তথ্য থেকে জানা যায় যে, সাধারণ ‘সিঙ্গেল-ভিশন’ লেন্সের তুলনায় Essilor® Stellest® লেন্স দুই বছরের সময়কালে মায়োপিয়ার অগ্রগতি গড়ে ৭১% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের শহরাঞ্চলের প্রায় ৫০% শিশু মায়োপিয়ায় আক্রান্ত হবে বলে যে পূর্বাভাস রয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুমোদনটি ভারতের চক্ষুসেবা বিশেষজ্ঞ এবং অভিভাবকদের জন্য একটি বিশ্বস্বীকৃত ও প্রমাণ-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে এসেছে।

EssilorLuxottica ভারতের চিকিৎসা ও পেশাগত বিষয়ক পরিচালক ড. কুণাল শ্রীবাস্তব বলেন, “ভারতে ক্লিনিক্যাল বা চিকিৎসাগত নির্ভরযোগ্যতার ক্ষেত্রে এফডিএ-এর অনুমোদনই হলো চূড়ান্ত মানদণ্ড। এই প্রযুক্তি প্রচলিত লেন্সগুলোকে একটি প্রকৃত চিকিৎসা পদ্ধতিতে রূপান্তরিত করেছে, যা শিশুদের চোখের রোগের পরিষেবার ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে।” সাধারণ লেন্সগুলো যেখানে কেবল দৃষ্টিশক্তি সংশোধন করে, তার বিপরীতে স্টেলেস্ট® লেন্সগুলো সক্রিয়ভাবে রোগের অগ্রগতি নিয়ন্ত্রণ করে। EssilorLuxottica ভারতের প্রধান মহানগর এবং পুনে, কোচি ও আহমেদাবাদের মতো উদীয়মান কেন্দ্রগুলোতে এই লেন্সের প্রসার ঘটাতে চলেছে; একই সঙ্গে তারা নিশ্চিত করছে যেন এই প্রযুক্তি ‘ন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড ফর হসপিটালস’ (এনএবিএইচ)-এর মানদণ্ড মেনে চলে।

EssilorLuxottica-এর ভারত শাখার প্রেসিডেন্ট ভেনু আম্বাতি আরও বলেন, “এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক। মায়োপিয়ার অগ্রগতি শনাক্ত হওয়ার মুহূর্তেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে, আমরা পরিবারগুলোকে তাদের সন্তানদের চোখের স্বাস্থ্যের বিষয়ে আগাম ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারি।“