গঙ্গার জলে প্লাবিত হয়েছিল মালদহের ভূতনি থানা এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল বাড়িঘর, স্কুল ও রাস্তাঘাট। প্লাবিত এলাকা থেকে দ্রুত জল বের করে দিতে প্রশাসনের উদ্যোগে দক্ষিণ চণ্ডীপুরের একটি বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ কেটে দেওয়া হয়।
প্লাবিত এলাকা থেকে জল নেমে গেলেও বাঁধ কেটে দেওয়ার ফলে বর্তমানে দক্ষিণ চণ্ডীপুরের ওই অংশে যাতায়াতের প্রধান ভরসা নৌকা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে কাটা বাঁধের অংশে ভাসমান ফুটব্রিজ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। লোহার কাঠামোর মধ্যে ড্রাম বসিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এই সেতু। যানবাহন চলাচল করতে না পারলেও পায়ে হেঁটে ও সাইকেলে পারাপার করা যাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা, ভাসমান ফুটব্রিজ তৈরি হলে আপাতত যাতায়াতের সমস্যা অনেকটাই কমবে। তবে বাঁধের ভাঙন স্থায়ীভাবে মেরামতের পাশাপাশি কাটা অংশে লকগেট নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
