লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের ষষ্ঠ আসর শুরু হতে চলেছে ১০ জুলাই। এবছর এলপিএল-এর আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘ইনোভেটিভ প্রোডাকশন গ্রুপ এফজেড, এলএলসি’ (আইপিজি) যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক একটি তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বহু-মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। আইপিজি ‘ফ্ল্যাশ স্পোর্টস অ্যান্ড মিডিয়া, ইনকর্পোরেটেড’-এর সঙ্গে কৌশলগত ‘অল-স্টক মার্জার’ সম্পন্ন করেছে। এর ফলে এলপিএল-সহ তাদের টি-টোয়েন্টি লিগের বাণিজ্যিক স্বত্বের পোর্টফোলিওটি নাসডাক-তালিকাভুক্ত প্ল্যাটফর্ম ‘ইউজিআরও’-এর অধীনে যুক্ত হয়েছে।
এই পদক্ষেপটি আইপিজি এবং তাদের পরিচালিত লিগগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক; এর মাধ্যমে তারা বড় পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত হলো। এই নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সহায়তায়, আইপিজি আগামী দুই বছরে এলপিএল-কে আরও বড় ও উন্নত সংস্করণের রূপ দিতে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের হাতে থাকলেও, আইপিজি এর একচেটিয়া বাণিজ্যিক ও মিডিয়া স্বত্ব ধরে রেখেছে। আইপিজি-র চেয়ারম্যান অনিল মোহন বলেন, “উন্নত স্বচ্ছতা ও পুঁজির সহজলভ্যতার মাধ্যমে আমরা এলপিএল-কে আরও দায়িত্বশীল ও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারব।”
নতুন প্রাতিষ্ঠানিক পুঁজি ও সুশাসনের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজির দীর্ঘমেয়াদি মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এলপিএল ছাড়াও মালয়েশিয়া ও জিম্বাবোয়ের টি-টোয়েন্টি লিগের এক্সক্লুসিভ চুক্তি রয়েছে আইপিজি-র। এই উদীয়মান ক্রিকেট বাজারগুলোকে একটি সমন্বিত, বহু-বাজারভিত্তিক ক্রিকেট প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করাই তাদের লক্ষ্য। স্পনসরশিপ ও সম্প্রচার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীভূত বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ আনা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সম্প্রচার প্রযোজনাকে 4K মানে উন্নীত করা এবং নিয়মিত আয়ের উৎস তৈরি করা হবে। ফ্ল্যাশ স্পোর্টস-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ব্র্যাডলি ন্যাট্রাসের বক্তব্য, তাদের লক্ষ্য বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট অর্থনীতিতে একযোগে কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করা।
