বড় ধাক্কা, পার্টি অফিস খালি করার নির্দেশ এল

দীর্ঘ পনেরো বছর বাদে রাজনীতি মঞ্চে এসেছে বদল, জোড়া ফুল-এর পরিবর্তে এসেছে পদ্ম ফুল। তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে দুই তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে ক্ষমতায় বিজেপি। বর্তমানে রাজ্যে চলছে ডাবল ইঞ্জিনের সরকার। ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গেই একসময় যাঁরা তৃণমূলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন, পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁদের অনেকেই দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছেন।

‘মডার্ন ডেকরেটিং’-এর কর্ণধার মণ্টু সাহা ওরফে মনোতোষ সাহা। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই ব্যবসায়ীর নেওয়া পদক্ষেপে, রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে মাইক ও চেয়ার না পাঠিয়ে আগেই তৃণমূলকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন তিনি। এবার ইএম বাইপাসের ধারে মেট্রোপলিটন এলাকায় যে বহুতল ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অস্থায়ী পার্টি অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেটি আগামী দুমাসের মধ্যে খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

একসময় দক্ষিণ কলকাতার ছোট ডেকরেটিং ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত মণ্টু সাহার উত্থান ছিল চোখে পড়ার মতো। ধীরে ধীরে মন্টু রাজ্যের অন্যতম প্রভাবশালী ইভেন্ট কন্ট্রাক্টরে পরিণত হন। তৃণমূলের বড় সভা, মঞ্চ, প্যান্ডেল থেকে শুরু করে সরকারি অনুষ্ঠান—সব জায়গাতেই তাঁর সংস্থার ডেকোরেটিংয়ের জিনিস ব্যবহার শুরু হয়।‌